ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের খাওয়াদাওয়ায়ও পরিবর্তন আসে। মৌসুমি শাক-সবজি, ফল আমাদের খাওয়াদাওয়ায় বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। আর এগুলো আমাদের শরীরের জন্যও খুবই উপকারী।
গরমের যেকোনো ফলই রসালো হয়।
হজমের সমস্যায় : আমড়ার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। যা শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়। মায়োগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে। গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি সমস্যা দূরে রাখে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।
হিমোগ্লোবিন তৈরিতে : আমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন। যা শরীরে অক্সিজেন পরিবহণ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে অ্যানিমিয়ার সমস্যাকেও দূরে রাখে।
ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস আমড়া। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এ কারণে এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেমন হাড় ও দাঁতের রক্ষণাবেক্ষণসহ নানা রোগের নিরাময়ে অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে।
এ ছাড়া আমড়াতে থাকা ভিটামিন সি মানবদেহের প্রোটিন কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা, দৃঢ়তা বজায় রাখতে এবং ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধেও ভালো কাজ করে।
হাড়কে মজবুত রাখে : আমড়ার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। তাই নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়। হাড়ের যেকোনো রোগ যেমন দূরে রাখে তেমনই হাড়কে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখে : আমড়াতে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইটোকেমিক্যাল থাকে। এই উপাদানগুলোই স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
মূত্রের পরিমাণ বাড়ায় : আমড়ার রসের একাধিক ওষধিগুণ রয়েছে। শরীর থেকে প্রস্রাবের মতো রেচক বের করে দিতে ভূমিকা রয়েছে এই ফল। ফলে শরীর থেকে সোডিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সর্দি-কাশির সমস্যাতেও ভালো কাজ করে আমড়া।






