সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। প্রতিনিয়তই আক্রান্ত হচ্ছে নতুন নতুন শিশু। এতে হাম আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। হামে রেকর্ড সংখ্যক শিশু আক্রান্তের পর আবারও রোগীর চাপ বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। গত দুই মাসেও কমানো যায়নি হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীদের ড়িড়। প্রতিদিন হাসপাতালের আউটডোরে হামের উপসর্গ নিয়ে ড়িড় করেন স্বজনরা। ফলে দেশে হাম নিয়ে যেন উদ্যোগ বাড়ছেই।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে নানা আলোচনা হলেও, দোষারোপের চেয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও সমাধান খোঁজাই এখন সবচেয়ে জরুরি। টিকা না পাওয়া শিশুদের বয়স, টিকা পাওয়ার আগেই সংক্রমণের কারণ ও প্রতিরোধে কী উদ্যোগ দরকার এসব নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশেই হামের সংক্রমণ বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত হামের প্রাদুর্ভাবে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ছিল না
হাম ও হাম উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে আসছে শিশুরা। এরা সবাই গুরুতর অসুস্থ, বিশেষ করে হামের পর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুই বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এসব রোগীর সুস্থ হতেও সময় লাগছে বেশি। হামের পর শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে, ফলে তারা নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। হামের পর নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে তাদের অধিকাংশই নিউমোনিয়া আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে, দেশে হাম প্রতিরোধে টিকার জোগান বাড়ছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী চলছে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি। তবু হামে শিশুমৃত্যু থামছে না। এদিকে হাম ও এর উপসর্গে চারশো’র অধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।






