বেশ কয়েক বছর হলো বলিউড থেকে হলিউডে পাড়ি জমিয়েছেন দেশিগার্লখ্যাত অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। বলিউডে তার বহু বছরের ক্যারিয়ার। স্বজনপোষণ ছাড়াই নিজের দক্ষতায় বলিউডে পায়ের তলার মাটি শক্ত করেছিলেন অভিনেত্রী। তবে নানা ষড়যন্ত্রও নাকি তার বিরুদ্ধে হয়েছিল।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তার ক্যারিয়ারে বহু বাধা এসেছে বলে জানিয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া। বলিউডের রাজনীতির কারণে তিনি নাকি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
প্রিয়াংকা বলেন, ‘ বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর আমি স্বজনপোষণ কথার অর্থই বুঝতাম না। আমার বাবা-মা যেমন চাইতেন যে ক্যারিয়ারে সফল হই, ঠিক তেমনভাবে ইন্ডাস্ট্রির তারকারাও তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য একই জিনিস চাইতেন। এভাবেই ভাবতাম। পরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।
২২ বছরের প্রিয়াংকা চোপড়া ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম পা রাখেন। তখন থেকেই প্রত্যাখ্যান পাওয়া গা সওয়া হয়ে গিয়েছিল তার। যে কারণে একসময় নাকি পেশাবদলে ফেলার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। পেশাবদলের চিন্তাভাবনা করতেও শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত ঠিক রেখে অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নেই বিভোর ছিলেন তিনি।
অভিনেত্রী বলেন, সালাম-এ-ইশক’ সিনেমার শুটিং করছিলেন। তখনই একটি হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান। কন্ট্র্যাক্টে সইও করেন তিনি। কিন্তু তখনই নাকি আপত্তি তোলেন তার সহ-অভিনেতা।
সিনেমার নাম প্রকাশ না করে প্রিয়াংকা চোপড়া বলেন, সেই সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই সিনেমায় দুজন অভিনেত্রীর থাকার কথা ছিল। পরে তাকে জানানো হয় যে, মুখ্য চরিত্রে তাকে দরকার নেই।
প্রিয়াংকা বলেন, সই করা হয়ে গেলেও তার পরের সিনেমার সহ-অভিনেতা সেটে এসে তাকে জানিয়েছিলেন যে, তাকে সিনেমা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।






