অফিসে কেউ আপনাকে ‘ম্যানিপুলেট’ করছেন কিনা, বুঝবেন কীভাবে?

দুনিয়াতে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি হলো মানুষ চেনা। কার মনে কী চলছে, বাইরে থেকে তার আঁচ পাওয়া সহজ নয়। তবে সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন মানসিকতার মানুষের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাতে হয়। তাই একটু বুঝেশুনে মেলামেশা করলে ভালো।

কেননা, সতর্ক না থাকার কারণে অনেককেই অফিসে ম্যানিপুলেশনের শিকার হতে হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ম্যানিপুলেটর’ নিজের সুবিধা হাসিল করার জন্য অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক সময় দেখা যায়, যিনি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন, তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না। তবে কিছু আচরণ জেনে রাখা জরুরি। কেউ যদি ধারাবাহিকভাবে তেমন কিছু কাজ করে চলেন, বুঝবেন তিনি আপনার ওপর প্রভাব খাটাচ্ছেন।

কৃতিত্ব ছিনিয়ে নেওয়া

টিমের সকলের পরিশ্রম এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো কাজ ভালো হতে পারে না। কিন্তু একটা টিমে সকলের ভাবনা, পরিকল্পনা এক হয় না। কমবেশি থাকেই। কিন্তু আপনার কোনো ভালো কাজ কিংবা পরিকল্পনার কৃতিত্ব যদি অন্য কেউ নিজের নামে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি থেকে সাবধান। এড়িয়ে চলতে না পারলেও কোনো পরিকল্পনা তার কাছে খোলসা না করাই ভালো।

ইচ্ছাকৃত বিপাকে ফেলা

কাজের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাহায্য ভীষণ জরুরি। কর্মীরা যদি একে-অন্যের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দেন, তাহলে আদতে প্রতিষ্ঠানেরই ক্ষতি। আপনি যদি জানতে পারনে সেটা যেমন সহকর্মীকে জানানো আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, আবার আপনার সহকর্মীরও উচিত একই কাজ করা। কিন্তু সেটা কি কখনো হয় না? উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশ সহকর্মী আপনার থেকে লুকিয়ে রাখছে কি? কর্তৃপক্ষের সামনে অপদস্থ করার জন্যেই এটা করছে না তো? ভেবে দেখুন।

অপরাধবোধে ভোগানো

ছলে-বলে-কৌশলে এবং আবেগ খাটিয়ে অনেকই নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেন। অফিসেও কি আপনার সঙ্গে এমন কেউ করছেন?  আপনার সহকর্মী কিংবা সিনিয়র কি আপনাকে বার বার বিভিন্নভাবে এটা বোঝানের চেষ্টা করছেন যে আপনি অসহযোগিতা করছেন? সাধ্যমত কাজ করা সত্ত্বেও বারংবার অন্যের অভিযোগের নিশানায় থাকলে মনোবল ভেঙে যেতে পারে। তাই এখনই সাবধান হওয়া জরুরি। এ ধরনের সহকর্মীর কথায় বিশেষ গুরুত্ব না দেওয়াই শ্রেয়।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.