অতিরিক্ত ওজন, বিপি ও ডায়াবেটিসের সমস্যাও এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে।গ্রীষ্মের সময় হোক বা অন্য যেকোনো সময়ে আপনার যদি খুব বেশি ঘাম হয়ে থাকে, তবে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। চলুন, শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হলে কোন কোন খাবার খাবেন, আর কোনগুলো এড়িয়ে চলবেন, সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিই—
পর্যাপ্ত পানি : দিনে মাত্র ৭ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন। অতিরিক্ত ঘামের সমস্যায় জর্জরিত মানুষ পর্যাপ্ত পানি পান করুন।পানি দিয়ে শরীরকে হাইড্রেটেড থাকতে দিন। যার কারণে ঘামের সমস্যা কমতে পারে।
কোন কোন খাবার খাবেন
যেসব লক্ষণ বলে দেবে হজমের সমস্যার কথা
সাদা তিল : আপনার শরীর থেকে যদি বেশি ঘাম হয়, তবে সাদা তিল খাওয়া উচিত। আপনি নিশ্চয়ই সাদা তিলের উপকারিতা শুনেছেন।
চুল পড়ার সমস্যা কমানো থেকে শুরু করে ওজন কমাতে ব্যবহার করা হয়।ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার : দুধ, দই ও তিল— সাধারণত এই খাবারগুলো খেলে হাড় মজবুত হয়। আর হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। একইভাবে ক্যালসিয়ামও শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে উপকারী। এমতাবস্থায় খাদ্যতালিকায় এই ধরনের খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।যার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
খালি পেটে যেসব খাবার খেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা হতে পারে
অতিরিক্ত ঘাম হলে যে খাবার এড়িয়ে চলবেন
- ক্যাফেইন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ চা-কফি বা ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পান করার ফলে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হয়।
- মসলাদার খাবার শরীরে ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই এ সমস্যা এড়াতে মসলাদার খাবার কম খেতে হবে।






