প্রতি বছর রমজানের এই সময়ে ছোলা, ডাল, চিনি,ভোজ্যতেল, মুড়ি ও খেজুরের মতো পণ্যগুলোর চাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দামও। তবে এই বছর রমাজন কে ঘিরে ভোগ্যপণ্যর দাম অনেকটাই স্থিতিশীল। যদিও প্রায় দুই মাস ধরে চলা সয়াবিন তেলের সংকট এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি নগরবাসী। সয়াবিন তেল ছাড়া অন্য সব পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকা কেজি দরে যা গত বছর দাম ছিলো ১৩০-১৪০ টাকা। খেশারির ডাল ১১০-১২০ টাকা ও মশুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাস দুই আগেও চিনির দাম ১২৫ – ১৩০ টাকা কেজি হলেও এখন তা কিছুটা কমে ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ফার্মের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২১০ টাকা কেজি এবং সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-২৯০ টাকা কেজি দরে।
রমজান কে ঘিরে ভোগ্যপণ্য দাম স্থিতিশীল নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। তারা বলছেন রমজান আসলেই দেখা যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়ে যায় তবে এবার যেভাবে দাম স্থিতিশীল রাখা হয়েছে পুরো রমজান যদি এভাবে রাখা তবে সাধারণ জনগণের জন্য খুবই উপকার হবে। তবে বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
নগরীর পাইকারী বাজারে রমজানের আগে কমছে প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম নিম্নমুখী রয়েছে। এবারের রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানোকে সর্বোচ্চ গুরত্ব দিয়ে নানারূপ পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।






