‘শাটল ট্রেন’ মানেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণস্পন্দন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উঠলে প্রথমেই যে স্মৃতিটা সামনে চলে আসে, তা হলো ‘শাটল ট্রেন’। শাটলকে শুধু ট্রেন বললে ভুল হবে; গান, আড্ডা, রাজনীতি এমনকি পড়াশোনার সার্কেলটাও গড়ে ওঠে এটাকে ঘিরে।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাসি, কান্না বা

প্রেম-ভালোবাসা কিংবা আনন্দ-বেদনার মহাকাব্যর আরেকটি নাম এই শাটল ট্রেন।

শাটল ট্রেন’ মানেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণস্পন্দন। দেশেতো বটেই পৃথিবীর একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যার শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ট্রেনে যাতায়াতের ব্যবস্থা। আর ঝিকঝিক, ঝিকঝিক শব্দের তালে তালে হাজারো গান গেয়ে জীবনের সোনালী সময় পার করার ইতিহাস রয়েছে চবি শিক্ষার্থীদের।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন অথচ বন্ধুদের সাথে শাটলে গান গাওয়ার স্মৃতি নেই এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা শূন্য। একদম গলা ছেড়ে না গাইলেও আনমনে ঠোঁট মিলিয়েছেন সকলেই!
সাবেক চবিয়ানদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণের কথা জিজ্ঞেস করলেই অকপটে বলছেন- শাটলের কথা। শাটলকে ঘিরে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অম্ল-মধুর হাজারো স্মৃতি!

সব ভোলা যায়, যায় না ভোলা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি। এর মধ্যে স্মৃতিতে শাটল যেনো এক ভিন্ন অনুভূতির নাম। শাটলে চড়ে বেশি উৎফুল্লতা প্রকাশ করে নবীনেরা। নবীনরা শাটল পেয়ে আনন্দ বন্যায় ভাসে। এরকম হাজারো গল্প আছে শাটল নিয়ে চবি শিক্ষার্থীদের। এক একটি গল্প দিয়ে লিখা যাবে এক একটি উপন্যাস, রচনা করা যাবে কালের সেরা মহাকাব্য। স্মৃতিচারণ গল্পে বর্তমান চবিয়ানরা বেশি স্থান পায়নি। তবে অচিরেই তাদের স্মৃতির মানসপটে অংকিত হবে প্রিয় শাটলের প্রতি জমানো ভালোবাসা। যা হবে আগামীর গল্প।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.