পাকিস্তান সিরিজের আগেই বিসিবি জানিয়েছিল, সাকিব আল হাসানের জন্য বাংলাদেশের দরজা খোলা। তবে সেই সিরিজে তার খেলা হয়নি অনুমিতভাবেই। এবার নিউজিল্যান্ড সিরিজেও তার ভাগ্যে শিঁকে ছিঁড়ল না। যার ফলে সাকিবের অপেক্ষা বাড়ল আরও।
সাকিব ২০২৪ সালে সবশেষ খেলেছেন জাতীয় দলে। এরপর থেকেই রাজনৈতিক ও আইনগত কারণে জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে আছেন তিনি, একাধিক মামলা ঝুলছে তার নামে। এদিকে জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়ার পর থেকে সাকিব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। পিএসএলের এবারের আসরে ডাক পাননি, আইপিএলের দরজা তো অনেক আগে থেকেই বন্ধ।
এ সময়ে তিনি খেলে বেড়াচ্ছেন নিচু মানের লিগে। এমনকি মাইনর লিগেও খেলতে দেখা গেছে তাকে। সেই তার সামনেই এখন জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাকে নিয়ে আজ প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার বললেন, ‘আমার সাথে একবার কথা হয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম প্রস্তুত আছে কিনা, যেহেতু ও যেখানে আছে সেখানে নিয়মিত ক্রিকেট হয় না বা ট্রেনিংয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফিটনেস নিয়ে কাজ হতে পারে, তবে ক্রিকেট নিয়মিত হয় না। যদিও ও ক্রিকেট খেলছে। এসব নিয়েই বেশি কথা বলেছি।’
তার দলে ফেরার ক্ষেত্রে এক শর্ত বেঁধে দিয়েছেন হাবিবুল। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলোয়াড়দের কাছে অনেক কিছু ডিমান্ড করে। তাই এখানে প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে (সাকিব) যদি রেডি থাকে এবং লম্বা সময়ের জন্য খেলতে চায়, তবে আমরা অবশ্যই তাকে বিবেচনায় রাখব।’






