কাঁচাহলুদের ৫ সুস্বাদু খাবার, যা দিয়ে কমবে কোলেস্টেরল ও প্রদাহ

কাঁচাহলুদের ব্যবহার রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি থেকে স্বাস্থ্যরক্ষা পর্যন্ত— সব জায়গায় ব্যবহৃত হয়। ভাজাপোড়া হোক কিংবা কষিয়ে রান্না— হলুদ থাকবেই। তবে সমস্যা হলো— অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাঁচাহলুদের বদলে গুঁড়ো মসলা দেওয়া হয়। কিন্তু গুঁড়ো মসলার  তুলনায় কাঁচাহলুদ খাওয়া অনেক বেশি উপকারী। হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্যই এর এত কদর। ভিটামিন ‘ই’ বা ভিটামিন ‘সি’র তুলনায় পাঁচ থেকে আট গুণ বেশি কার্যকরী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কারকিউমিন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এর পাশাপাশি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরে প্রদাহ নাশ করে। তাই কাঁচাহলুদ দিয়েই ঘরে তৈরি করতে পারেন রকমারি খাবার।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোলেস্টেরল ও প্রদাহ কমাতে কাঁচাহলুদের ব্যবহার—

১. কাঁচাহলুদের আচার

শীতকালের জন্য কাঁচাহলুদের আচার উপযুক্ত। টুকরো করা কাঁচাহলুদ প্রথমে গরম সর্ষের তেলে মেশাতে হবে। এরপর তাতে কাঁচালংকা, লবণ, রসুন ও আদা— সব দিয়ে বানিয়ে ফেলুন আচার। সকালের নাশতা পরোটার সঙ্গে সেই আচার খান। দারুণ লাগবে খেতে।

২. হলুদের তরকারি

উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে জনপ্রিয় হচ্ছে— কাঁচাহলুদ, বেসন, আদা ও বিভিন্ন মসলা ব্যবহার করে মাখামাখা তরকারি তৈরি করা। সেই তরকারি গরম গরম রুটি ও ভাতের সঙ্গে খাওয়া যায়।

৩. কাঁচাহলুদের থোক্কু

কাঁচাহলুদের থোক্কু মূলত কাঁচাহলুদ, তেঁতুল, শুকনো লংকা ও তিলের তেল দিয়ে তৈরি ঘন এবং ঝাল ঝাল চাটনি। দোসা, ইডলি, উত্তপ্পম— এমনকি দই-ভাতের সঙ্গেও খেতে ভালো লাগে।

৪. কাঁচাহলুদের ঘি

কাঁচাহলুদ ধীরে ধীরে দেশি ঘিয়ে ফুটিয়ে নেওয়া হয়। তারপর ছেঁকে নেওয়া হয়। পরে অন্যান্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অথবা রুটির ওপর মাখিয়েও খাওয়া যায়।

৫. কাঁচাহলুদের চাটনি

কাঁচাহলুদের চাটনি খেতে ভীষণ মজা। গোটা সর্ষে, লেবুর রস ও লবণের সঙ্গে কাঁচাহলুদ বেটে তৈরি করা হয় ঝাঁজালো স্বাদের চাটনি। যে কোনো খাবারের সঙ্গে খাওয়া যায়। এ ছাড়া কাঁচাহলুদ, গাজর আর সর্ষে গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি করা যায় টক টক পানীয়। খেতে খুব মজাদার।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.