বাসার ওয়াইফাই কি মাঝেমধ্যে সমস্যা করছে। বহু চেষ্টা করেও ঠিকমতো মুভি দেখতে পারছেন না বা ইউটিউবের ভিডিওর চাকা শুধু ঘুরছেই। যদি এমন হয়, তাহলে কয়েকটি বিষয়ে ধারণা থাকা প্রয়োজন।
গবেষকরা বলেন, দরজা বা পুরোনো দেয়াল অনেক সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে বাধা দেয়। তথ্যটা কিন্তু পুরোপুরি সত্যি নয়; বরং বাড়িতে আরও কিছু জিনিস আছে, যা ওয়াইফাই ফ্রিকোয়েন্সিকে প্রতিহত করে।
ঘরের মধ্যে থাকা অনেক কিছুই ওয়াইফাইয়ের জন্য বাধার কারণ। আয়না বা যে কোনো ধাতব পদার্থ সবচেয়ে বেশি বাধা দেয় এই ফ্রিকোয়েন্সিতে। আয়নার যে অংশ প্রতিফলিত হয়, সেই অংশে ওয়াইফাই বাধা পেয়ে বাউন্স করে। ফলে গতি ধীর হয়ে পড়ে। জানা গেছে, ধাতব যে কোনো পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী।বাসায় থাকা অনেক ধাতব পদার্থ ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ রিফ্লেক্টের কারণে হয়।এই রকমের ধাতব পদার্থ ওয়াইফাই সিগন্যালকে সম্পূর্ণ বাধা দেয়। ফলে গতি অনেকাংশে কমে। তাই ওয়াইফাই রাউটার যে স্থানে রয়েছে, সেখানে যেন কোনোভাবেই আয়না না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাউটারের আশপাশে কোনো ধাতব পদার্থ না রাখাই শ্রেয়।
রাউটারের কাছে ব্লু-টুথ ডিভাইস না রাখা ভালো। অনেক সময় ল্যাপটপ, পিসি, স্পিকার, কিবোর্ড– এমন ধরনের ডিভাইস থেকে রাউটার দূরত্বে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অনেকের ধারণা, এতে ইন্টারনেটের গতি তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায়। ধারণাটি ঠিক নয়; বরং এটির কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে।
অনেকেই হয়তো জানেন না, ওয়াইফাই ও ব্লু-টুথ একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। তাই একে অন্যের কাজে বাধা তৈরি করে। ফলে কমে যায় ইন্টারনেটের গতিবিধি।






