নাম সিডিএ আবাসিক, অথচ দৃশ্যপট যেন অচেনা কোনো গ্রামের ভাঙা রাস্তার প্রতিচ্ছবি।বহু বছর ধরে শহরের অন্যতম পরিকল্পিত এই এলাকাটি এখন ধুলোররাজ্য, গর্তের ভেলকি আর জনদুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি।ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্পের আওতায় আগ্রাবাদ সিডিএতে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয় ২০২৩ সালের প্রথমদিকে।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। কিন্তু কাজের ধীরগতি এবং সমন্বয়হীনতায় এখন তা হয়ে উঠেছে এক অনন্ত যন্ত্রণা।
এলাকার প্রায় প্রতিটি সড়কেই চলছে ওয়াসার পয়োনিষ্কাশন প্রকল্পের খোঁড়াখুঁড়ি। কিছু সড়ক আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ, কোথাও বিশাল খননযন্ত্র দাঁড়িয়ে আছে আর কোথাও ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করা হলেও পিচঢালাই নেই। ফলে বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য চলাচল হয়ে উঠেছে কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ।
একদিকে রাস্তার এক পাশ খোঁড়া, অন্যপাশ ভাঙা। কোথাও আবার পাইপ বসানো হয়েছে, কিন্তু ওপরে ডালা দেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ—বারবার এক জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ি করা হচ্ছে, অথচ কোনো সুস্পষ্ট অগ্রগতি
এই দুর্ভোগ শুধু চলাচলের নয়, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য, রোগী পরিবহন, স্কুলে যাওয়া—সবকিছুতেই এর প্রভাব পড়ছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, নেই তদারকিও।তবে নাগরিকরা বলছেন—উন্নয়নের নামে এমন দুর্ভোগ গ্রহণযোগ্য নয়। পরিকল্পনার অভাব, ঠিকাদারদের গাফিলতি এবং নজরদারির ঘাটতি প্রকল্পটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।






