ADVERTISEMENT

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করছে চসিক

স্টাফ রিপোর্টার:

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম ও অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) থেকে প্যানেল মেয়রের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের কমিটি প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ, তদাররি ও কর্মপন্থা বাস্তবায়নে মাঠে থাকবে।

সোমবার (২৬ জুলাই) ভার্চুয়াল সংযোগের মাধ্যমে টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী ভবনের সম্মেলন কক্ষে ষষ্ঠ সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ডেঙ্গু্র বিস্তার এখন পর্যন্ত ঢাকার মতো প্রকট নয় এবং এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। ডেঙ্গু রোগের বিস্তার প্রতিরোধে যে সব অতীব জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা প্রয়োগে চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের জনবলকে সক্রিয় রাখতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এডিস মশার প্রজননের উৎসগুলোতে প্রতিষেধক ওষুধ ছিটানো এবং নালা-নর্দমা-খাল ও জলাশয় আবর্জনামুক্ত রাখতে যাবতীয় কর্মপন্থা চলমান রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলরদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে তদারকি ও নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি সামাল দিতে চলমান কঠোর লকডাউনকালে কোথাও যাতে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য না হয় সে ব্যাপারে চসিকের সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।

চসিকের ষষ্ঠ নির্বাচিত পরিষেদের সব প্রতিনিধি, কর্মকর্তা ও জনবল কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের সক্ষমতা ইতিবাচক প্রয়াস চলমান রেখেছে।

এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থাপনা ত্রুটি ও বিচ্যুতি থাকলে নগরবাসীর আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী তার সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনে কাউন্সিলরদের সহায়ক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান মেয়র।

তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে যে সব অভ্যন্তরীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো বৃষ্টি কমে আসলে মেরামত করা হবে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের খানাখন্দগুলো ইটের খোয়া দিয়ে ভরাট করা হবে। স্ট্র্যান্ড রোডের কাজ সমাপ্তির পথে। যে অংশগুলো এখন অনুপযোগী সেগুলো দ্রুত যানচলাচল উপযোগী করা হবে। পিসি রোডের অসমাপ্ত কাজ নভেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। এখানে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

শেখ মুজিব সড়কের যে অংশে সিডিএ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেখানে স্বাভাবিক যানচলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ অংশগুলো দ্রুত মেরামত করে দিতে সিডিএকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মশকনিধন কার্যক্রম সম্পর্কে মেয়র বলেন, ব্যবহৃত তরল ওষুধের কার্যকারিতা যাচাইয়ে চবি’র বিশেষজ্ঞ টিমের প্রতিবেদন পাওয়ামাত্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় চসিকের ৫০ শয্যার আইসোলেশনে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে ৩৫ জন রোগী ভর্তি আছেন। রোগী পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদানসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নগরে চসিকের ব্যবস্থাপনায় সাড়ে ৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত সন্তোষজনক। ভবিষ্যতে টিকা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে।

চসিক ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় সাধারণ সভায় প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, বিভাগীয় প্রধানরা বক্তব্য দেন।

সকালে মেয়র চসিক পরিচালিত জেনারেল হাসপাতালে করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শনে যান।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.