ঈদ কে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন খলিফাপট্টির কারিগররা

পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে বদলে গেছে নগরীর খলিফাপট্টির চিরচেনা চিত্র। সরু গলির ভেতর ঢুকলেই ভেসে আসে সেলাই মেশিনের শব্দ, কাপড় কাটার কাঁচির খচমচ আর কারিগরদের ব্যস্ত পদচারণা। কেউ মাপ নিচ্ছেন, কেউ থান কাপড় কেটে দিচ্ছেন, আবার কেউ যত্ন করে বসাচ্ছেন জড়ি, চুমকি আর লেজ। সকাল থেকে গভীর রাত, কখনও কখনও সেহেরি পর্যন্ত চলে তাদের নিরবচ্ছিন্ন কর্মযজ্ঞ।

প্রায় ছয় দশক আগে গড়ে ওঠা এই থান কাপড় ও সেলাইয়ের মার্কেট এখন ঈদ মৌসুমে যেন প্রাণ ফিরে পায়। খলিফাপট্টির ছোট-বড় প্রায় চার শতাধিক দোকানে রমজানের শুরু থেকেই বাড়ে কাজের চাপ। কারিগরদের কারও হাতে অবসর নেই অর্ডারের খাতা ভরছে, ডেলিভারির তারিখ এগিয়ে আসছে, আর সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে সেলাই।

তবে থান কাপড়ের পাশাপাশি তৈরি পোশাকও বিক্রি হয় এসব দোকানে। তৈরি পোশাকের মধ্যে আছে থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, স্কার্ট, শাড়ি, পাঞ্জাবি, পায়জামা ও বিভিন্ন বয়সের বাচ্চাদের জামা।ক্রেতারাও বলছেন, খলিফাপট্টির পুরোনো সুনাম আর কারিগরদের নিখুঁত কাজের ওপর আস্থা রেখেই তারা বছর বছর এখানে আসেন। দামের ভিন্নতা থাকলেও পছন্দ ও মানের কারণে এই মার্কেটেই মিলছে সন্তুষ্টি।

জানা যায়, খলিফাপট্টির পোশাক কারখানাগুলোর বিশেষত্ব কম মূল্যে রুচিশীল পোশাক তৈরি করা। মূলত ঢাকার ইসলামপুর ও চট্টগ্রামের টেরিবাজার থেকে কাপড় সংগ্রহ করে নিজস্ব ডিজাইনে তৈরি করা এসব পোশাকের বেশ কদর রয়েছে। তাই এখান থেকে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা শহর থেকে ব্যবসায়ীরা ডিজাইন ও সেলাই করা কাপড় কিনে নেন।তাই ঈদের ২-৩ মাস আগে থেকেই ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়তে থাকে এ মার্কেটে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.