পবিত্র রমজান ঘনিয়ে এলেই বাড়ে খেজুরের চাহিদা। কিন্তু চাহিদার এই সময়েই অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে দামফলে ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ খেজুর এখন অনেক সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।অন্যদিকে, নগরীর ফলমন্ডির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে অনেকেই স্পষ্ট বক্তব্য দিতে চাননি। কেউ কেউ দাম বাড়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান, আবার কেউ দাবি করেন বাজার পরিস্থিতির তুলনায় দাম স্বাভাবিকই রয়েছে
নগরীর ফলমন্ডি এবং রিয়াজুদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে
বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুর রয়েছে। বর্তমানে বাজারে নাগাল ব্র্যান্ডের পাঁচ কেজি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়,এছাড়া সৌদি আরবের পাঁচ কেজি মাশরুণ খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। মাশরুখ ভিআইপি বিক্রি হয়েছে পাঁচ কেজি দুই হাজার ১০০ টাকায়। ইরানি মরিয়ম খেজুর পাঁচ কেজি বিক্রি হচ্ছে চার হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা এবনভ সৌদি আরবের মাবরুর খেজুর সাড়ে ৪ হাজর থেকে ৫ হাজার টাকা।এছাড়া বস্তা খেজুরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা।
তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত খেজুর আমদানি হয়েছে ৫৫ হাজার ৭৬৮ টন।
এর আগে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ৫৩ হাজার টন।২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে আমদানি ছিল ২৫ হাজার ৮৫ টন।২০২২-২০২৩ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ৮১ হাজার ৬৮৪ টন।আর ২০২১-২০২২ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৮৮ হাজার ৬০২ টন খেজুর।
অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় আমদানি কিছুটা বেড়েছে। তারপরও বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব নেই। সংশ্লিষ্টদের একাংশের অভিযোগ—সিন্ডিকেটের কারসাজি ও সরবরাহ ব্যবস্থার অস্বচ্ছতার কারণেই শুল্ক কমানোর সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা।রমজান সংযম ও সহমর্মিতার মাস। এমন সময়ে খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে কার্যকর নজরদারি ও বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি।






