করোনা পরিস্থিতিতে অস্বচ্ছল কেউ অভূক্ত থাকবেনা: জেলা প্রশাসক

পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ২৭৮টি হতদরিদ্র পরিবার পেল জেলা প্রশাসনের নগদ অর্থ সহায়তা

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোভিড-১৯ জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ও অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্র ২৭৮ পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আজ (৩ জুলাই) শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম হলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রত্যেক পরিবারের মাঝে নগদ ১ হাজার টাকা করে তুলে দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের প্রাপ্ত বরাদ্ধ থেকে ২৭৮ পরিবারের মাঝে নগদ মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস.এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ মাসুদ কামাল, এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদ রানা, স্টাফ অফিসার টু ডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা সজীব কুমার চক্রবর্তী, জেলা নাজির মোঃ জামাল উদ্দিন প্রমূখ। তৃণমূল নাট্যদল ও বেটার ফিউচার বাংলাদেশ নগদ অর্থ বিতরণ কাজে সহযোগিতা করেন।

উপহার সামগ্রী বিতরণকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে সমাজের অস্বচ্ছল কেউ যাতে অভূক্ত না থাকে তা দেখার জন্য জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা আমাদের সকলের প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমাজের কর্মহীন মানুষের পাশাপাশি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ও অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়, দুস্থ, হতদরিদ্র পরিবারকে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।

ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধি, দিনমজুর, নরসুন্দর, মুচি, চর্মকার, নির্মাণ শ্রমিক, ভ্যান চালক, হিজড়া জনগোষ্ঠীসহ পথে-প্রান্তরে অবস্থান করা মানুষদেরকে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে যারা প্রকাশ্যে সাহায্য নিতে সংকোচবোধ করছে বা সাহায্য চেয়ে সরকারী ৩৩৩ নম্বরে ফোন ও আমাদের কাছে এসএমএস করছেন প্রত্যেক রাতে তাদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে গিয়ে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। আমরা চাই এই পরিস্থিতিতে কেউ অনাহারে ও কষ্টে থাকবেনা।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.