হতাশা ও অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া পড়বেন

দুশ্চিন্তা ও মানসিক অবসাদ কমাতে যে দোয়া পড়বেন

বান্দা যত বড় গুনাহগারই হোক, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও অনেক বড়। হতাশা, অবসাদন নয়— রহমতের দরজাই হলো মুমিনের শেষ আশ্রয়। আল্লাহর রহমতের ভরসায় হতাশা দূর করতে তার কাছে হাত তুলে এভাবে প্রার্থনা করুন—

اللَّهُمَّ إِنْ لَمْ أَكُنْ أَهْلًا أَنْ أَبْلُغَ رَحْمَتَكَ، فَإِنَّ رَحْمَتَكَ أَهْلٌ أَنْ تَبْلُغَنِي

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন লাম আকুন আহলান আন আবলুগা রাহমাতাকা, ফাইন্না রাহমাতাকা আহলু আন তাবলুগানি।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমত পাওয়ার যোগ্য নই; কিন্তু আপনার রহমত তো এমনই যে, তা আমার মতো অযোগ্য ব্যক্তির কাছেও পৌঁছার যোগ্য।’

দোয়ার আবেদন ও শিক্ষা

এই দোয়াটি বান্দার পূর্ণ অসহায়ত্ব ও আল্লাহর সীমাহীন দয়ার ওপর নির্ভরশীলতা প্রকাশ করে। এখানে বান্দা নিজের আমল বা যোগ্যতার ওপর ভরসা করছে না; বরং ভরসা করছে আল্লাহর রহমতের ব্যাপকতা ও মহানুভবতার ওপর।

ইসলামের দৃষ্টিতে, জান্নাতে প্রবেশ কিংবা গুনাহ মাফ পাওয়ার মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর রহমত— আমলের অহংকার নয়, বরং বিনয় ও আশা। তাইতো কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَرَحْمَتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ

‘আমার রহমত সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে।’ (সুরা আল-আরাফ: আয়াত ১৫৬)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘তোমাদের কেউই শুধু তার আমলের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি নিজেও না? তিনি বললেন, ‘আমিও না— যদি না আল্লাহ তার রহমত দিয়ে আমাকে ঢেকে নেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.