নতুন রূপে সেজেছে বীর চট্টলা। আধুনিকতার ছোঁয়া থাকলেও এর সাজসজ্জায় ফুটে উঠেছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য, নব্বই দশকের স্মৃতি আর ক্লাসিকাল এক আবহ। একটা সময় এই বীর চট্টলা ছিলো ভোজনপ্রেমীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়। সেই জনপ্রিয়তা এখনও টিকে আছে খাবারপ্রেমীদের মনে। আর তাই নতুন সাজে আবারও যাত্রা শুরু করেছে বীর চট্টলা। রঙ-বেরঙের আসবাবপত্র, দেয়ালে আঁকা চলচ্চিত্র পোস্টার, পুরোনো দিনের ক্যাসেট, গ্রামবাংলার হস্তশিল্প আর বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের নস্টালজিয়া—সবকিছু মিলে যেন ফিরে গেছে অতীতের দিনে।
গত বৃহস্পতিবার নতুন সাজে রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। খাবারপ্রেমীদের ভিড়ে সেদিন পুরো পরিবেশ ছিলো উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত। উপস্থিত সবাই জানান, ব্যতিক্রমী এই আয়োজন শুধু ভোজনরসিকদের মন ভরাবে না, বরং চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
রেস্টুরেন্টটির ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে পুরোনো দিনের রেডিও, ক্যাসেট প্লেয়ার, পোস্টার আর রঙিন ফুলেল নকশা। দেয়ালে লেখা বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় সংলাপ আর শিল্পীদের ছবি যেন মনে করিয়ে দেয় বাংলা চলচ্চিত্রের গৌরবময় দিনগুলো। টেবিল-চেয়ার থেকে শুরু করে পুরো পরিবেশে সাজানো হয়েছে বাঙালির আবেগ আর চট্টগ্রামের নিজস্ব সংস্কৃতির ছোঁয়ায়।
রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ তরুণ প্রজন্মকে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও নব্বই দশকের সেই সময়ের আবহ অনুভব করাতেই তাদের এই উদ্যোগ। তারা আশা করছেন, এটি শুধু খাবারের স্থান নয়, বরং হবে বিনোদন আর স্মৃতিচারণেরও এক বিশেষ কেন্দ্র।






