চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রে নতুন ব্রীজ—শহরের দক্ষিণাঞ্চলের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই রাস্তায় চলাচল করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার এলে এই সড়কটির চিত্র যেন এক ভয়াবহ দুর্ভোগে পরিণত হয়। অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন, বাড়তি ভাড়া আর দীর্ঘ সময়ের যানজট—সব মিলিয়ে নগরবাসীর জন্য বৃহস্পতিবারের নতুন ব্রীজ এখন আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি থামানো, হঠাৎ বাস-সিএনজি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো আর পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এই ভোগান্তি প্রতি বৃহস্পতিবারে আরও তীব্র হয়।
বৃহস্পতিবার নতুন ব্রীজে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ট্রাফিক পুলিশ অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করলেও অব্যবস্থাপনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। শহর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বিকল্প সড়ক না থাকায় যানজট এখন নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ গাড়ি পার্কিং, সড়কের পাশে হকারদের দোকান আর অপ্রশিক্ষিত চালকদের বেপরোয়া আচরণকেও দায়ী করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সমস্যার মূল কারণ হলো দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা। তারা বলছেন—“প্রতি বৃহস্পতিবার একই ঘটনা ঘটে, অথচ সঠিক কোনো উদ্যোগ নেই। শুধু সাময়িকভাবে ট্রাফিক পুলিশ বাড়ানো হয়, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।” প্রতি বৃহস্পতিবারই চট্টগ্রামের নতুন ব্রীজ যেন নগরবাসীর জন্য হয়ে ওঠে এক দুঃস্বপ্ন। ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে থেকে মানুষ যে কষ্ট পোহাচ্ছেন, তার সমাধান কবে হবে—সেই প্রশ্ন আজ তাদের সবার কন্ঠে।






