চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

চট্টগ্রামে ভাইরাসজনিত জ্বর, বিশেষ করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই জ্বরে আক্রান্ত নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।

এদিকে, যে হারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, সমহারে পদেক্ষেপ নেয়া তো দূরে থাক, দৃশ্যমান তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না। নীরবেই বিস্তার ঘটছে এডিসবাহিত ভাইরাসটির। যা ইতোমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে নগরবাসীর মনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছর ডেঙ্গু ও করোনার চেয়েও বেশি রোগী মিলছে চিকুনগুনিয়ার। যা অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। মশার বিস্তার থেকেই এটি ছড়াচ্ছে। তাই এখনই মশার বিস্তার রোধ করতে হবে।

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্তদের মধ্যে চার ধরনের ভাইরাসজনিত জ্বর দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বেশি। চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে উচ্চ জ্বর, অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা ও অনেক সময় জয়েন্ট ফুলে যাওয়ার উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এমনকি জ্বর সেরে যাওয়ার পরও কয়েক সপ্তাহ বা মাসব্যাপী জয়েন্টের ব্যথা থেকে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও সতর্কতাই এই মুহূর্তে প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকুনগুনিয়ায় মৃত্যুহার কম হলেও রোগ-পরবর্তী জটিলতা দীর্ঘস্থায়ী হয়। বিশেষ করে গিঁটে ব্যথা, ত্বকে র‌্যাশ, শরীরের দুর্বলতা কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তাই এটি প্রতিরোধে এখনই কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের তাগিদ তাদের।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.