চট্টগ্রাম নগরীর সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ দিন দিন বাড়ছে। সেইসাথে বাড়ছে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিও। বিশেষ করে, অপেক্ষমাণ যাত্রীদের জন্য নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলোর করুণ দশা যেন নগর পরিকল্পনার ত্রুটির নগ্ন চিত্র তুলে ধরছে।
এক সময় যেখানে ছিল যাত্রীদের বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ, সেখানে এখন রয়ে গেছে কেবল ভাঙা রড আর নোংরা পরিবেশ। চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কঘাটে থাকা অধিকাংশ যাত্রী ছাউনিতেই নেই বসার সিট, নেই আশ্রয়ের সঠিক ব্যবস্থা।
অনেক ছাউনির স্টিলের সিটগুলো কেউ কেটে নিয়ে গেছে, দেয়ালের টাইলস উঠে গেছে, আর ছাউনির ছাদও অনেক জায়গায় ছেঁড়া বা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে।
“চট্টগ্রামের এই যাত্রী ছাউনিগুলোতে আগে যাত্রীরা অন্তত বসে বিশ্রাম নিতে পারতেন, বৃষ্টিতে সামান্য আশ্রয়ও মিলত। কিন্তু এখন অবস্থা এমন যে ছাউনির নিচে দাঁড়ানোও রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ। প্রশ্ন উঠছে—এই অব্যবস্থাপনার দায় আসলে কার?”
বিশ্বের অন্যান্য উন্নত শহরে আধুনিক যাত্রী ছাউনিতে থাকে ডিজিটাল সময় সূচি, বসার আরামদায়ক ব্যবস্থা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। অথচ চট্টগ্রামে সেই ধারণার ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না।
শুধু পরিকল্পনা নয়, এখন সময় বাস্তবায়নের। চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিকের ন্যূনতম নিরাপদ অপেক্ষা স্থল নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। না হলে নগরের ভাঙা ছাউনিগুলো কেবল এক একটি লজ্জার চিহ্ন হয়ে থাকবে।”






