অনেক ল্যাপটপ বা পিসির উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে সচল না হয়ে অনেক সময় সেফ মোডে সক্রিয় হয়। ডিভাইসে সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ অচলাবস্থা হিসেবে পরিচিত। যখন অপারেটিং সিস্টেম একেবারে যথাযথ ফাইল আর সব ড্রাইভার নিয়ে লোড হতে পারে না, তখনই এমন সমস্যা হয়।
সহজ ভাষায় বললে, ল্যাপটপ বা পিসির বিপৎকালীন যখন ন্যূনতম প্রস্তুতিতে ডিভাইস সচল হয়। হুট করে উইন্ডোজ সেফ মোড নির্দেশ করলে এতে প্রথম অবস্থায় রিস্টার্ট করে তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া যেতে পারে। পরে স্বাভাবিকভাবে তা সচল হয় কিনা, তা যাচাই করে নিতে হবে।
কয়েকবার এতে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে, সমস্যাটি কিছুটা জটিল রূপ নিয়েছে। উইন্ডোজের কোনো জরুরি ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়্যার সমস্যার কারণে এমন হতে পারে। নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সেটিংস বদলের ফলে যদি উইন্ডোজ বারবার সেফ মোডে চলে যায়, তাহলে আগের সেটিংস রিভার্স করলে সহজ সমাধান পাওয়া যাবে।
ডায়াগনস্টিক মোড
উইন্ডোজ সিস্টেমের সেফ মোডকে আবার বলা হয় ডায়াগনস্টিক মোড। উইন্ডোজ সক্রিয় হওয়ার সময় এফ-এইট বাটন প্রেস করলে যে মেন্যু দৃশ্যমান হবে, সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যাবে। যেহেতু এটি ডায়াগনস্টিক মোড, তাই এমন অবস্থায় বাড়তি কোনো কিছু, যেমন– ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, হাই কালার ডিসপ্লে, সাউন্ড, প্রিন্টার অনেক কিছুই কাজ করবে না। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।






