চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম এলাকা বহদ্দারহাটে অবস্থিত হাজী চাঁন মিয়া সড়ক এখন যেন জনভোগান্তির আরেক নাম। শুধু সামান্য বৃষ্টিতেই নয় বছরের বারো মাসই সড়কজুড়ে জমে থাকে হাঁটু সমান কাদা-পানি। রাস্তাটি যেন একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন করুণ অবস্থা বিরাজ করলেও কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। রিকশা, ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলোর চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম। শিক্ষার্থী, কর্মজীবীসহ সাধারণ মানুষদের পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।
কোথাও কাদা মাটি, কোথাও ময়লার স্তূপ। এসব মাড়িয়ে একেকটি গাড়ি যাচ্ছে-। সড়কজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কাদা-পানি আর খানাখন্দে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে শত শত যানবাহন। এছাড়াও সড়কজুড়ে থাকা খানাখন্দের ঝাঁকুনিতে হাড়গোড় এক হওয়ার অবস্থা সাধারণ জনগণের ।
৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে ৫ বছরের বেশি সময় ধরে কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। উল্টো সড়ক সংলগ্ন খালগুলোতে সিডিএ’র জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন কাজ চলায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “প্রতিদিন এই কাদার মধ্যে চলাফেরা করতে হয়। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।”
চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশের কালারপুল, খতিবের হাট, হাদু মাঝির পাড়া, অদুর পাড়া, বানিয়ারপুল, হাজিরপুল, মাইজপাড়া থেকে অনন্যা পর্যন্ত কয়েক লাখ মানুষ যাতায়াত করেন চাঁন মিয়া সড়ক দিয়ে। এছাড়া চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী, মেডিকেল ও নার্সিং কলেজ, দারুল মায়া’রিফ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। হাজী চাঁন মিয়া সড়কের দ্রুত সংস্কারই হতে পারে জনদুর্ভোগ লাঘবের একমাত্র উপায়।






