এজেন্টিক সক্ষমতার এআই বা এআই এজেন্ট হচ্ছে এআই প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতা (ট্রেন্ড)। ওপেনএআই, গুগল, মাইক্রোসফটসহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে এআই এজেন্ট তৈরিতে অনেক দূর এগিয়েছে, পেয়েছে সাফল্যও। এ নিয়ে গবেষণা যখন আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে তখন জানা গেল, ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনও যোগ দিয়েছে এআই এজেন্ট তৈরির দৌড়ে।
এআই এজেন্ট তৈরির অ্যামাজনের এই গ্রুপটির নেতৃত্ব দিবেন সোয়ামি সুব্রামানিয়ান, যিনি এর আগে অ্যামাজনের এআই ও ডেটা টিমের নেতৃত্ব দিয়েছে। এআই নিয়ে অবশ্য অ্যামাজন দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির রোবট ব্যবহারের অ্যামাজনের জুড়ি মেলা সহজ হবে না। গত মাসেই জানা গেছে, অ্যামাজন তাঁদের ফুলফিলমেন্ট সেন্টারগুলোতে ৭ লাখ রোবট ব্যবহার করছে।
গত সপ্তাহেই অ্যামাজন তাঁদের ভয়েজ অ্যাসিসট্যান্ট অ্যালেক্সার সাম্প্রতিক সংস্করণ অ্যালেক্সা+ (অ্যালেক্সা প্লাস) নিয়ে এসেছে, যেখানে এজেন্টিক এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এজেন্টিক সক্ষমতার কল্যাণে অ্যালেক্সা+ নিজে থেকেই উবারে রাইড বুক করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার মতো কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারছে। অর্থাৎ, আগে যে কাজগুলো ধাপে ধাপে ম্যানুয়ালী করতে হতো এখন ব্যবহারকারীর হয়ে এই কাজগুলো অ্যালেক্সা+ নিজেই সম্পন্ন করতে সক্ষম।
অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস অচিরেই অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য এআই এজেন্ট তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ, এন্টারপ্রাইজ এআই এজেন্ট তৈরিতে মনোনিবেশ করতে পারে অ্যামাজন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইতোমধ্যেই এআই এজেন্টের বেশ চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে তাঁদের দৈনন্দিন অনেক কাজ অটোমেট করা সম্ভব হবে। ফলে সময় ও শ্রম উভয়েরই সাশ্রয় হবে। মাইক্রোসফট, সেলসফোর্স-এর মতো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে এন্টারপ্রাইজ এআই এজেন্ট তৈরিতে সক্রিয় আছে।
তথ্যসূত্র: টেকক্রাঞ্চ, রয়টার্স






