বোর্ডে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মাশরাফি!

দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেই। ২০১৭ সালে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের পর খেলছিলেন শুধু ওয়ানডে ম্যাচ। ২০২০ সালের মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে নিজের বিদায়ী ম্যাচের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ পাননি তিনি। ক্যারিয়ারের এই সময়ে এসে জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাও আর নেই। তবে ফিরতে পারেন দণ্ডমুণ্ডের একজন হয়েই।

বলছিলাম, দেশসেরা সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা কৌশিকের কথা। যাকে নিয়ে এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে দেশের ক্রিকেট পাড়ায়। ১৮ কোটি ক্রিকেট ভক্ত-সমর্থকদের প্রত্যাশাটাও তেমনই।

ক্রিকেট মাঠের খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর থেকেই ভক্তদের চাওয়া ছিল বোর্ডের কোনো পদে দায়িত্ব নিবেন মাশরাফি। আর এ ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘মাশরাফি চাইলে অবশ্যই আমরা তাঁকে বোর্ডে নিয়ে আসবো।’

সর্বশেষ আরব আমিরাতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে, দক্ষিণ আফ্রিকার জেপি ডুমিনি ও ভারতের হয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনি পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সে সময় বিসিবির ভাবনায় মাশরাফিকে নিয়ে এমন পরিকল্পনা না থাকলেও সংস্থাটির সভাপতি এবার জানিয়েছেন, মাশরাফি চাইলেই তাকে বোর্ডের দায়িত্ব দেয়া হবে। এছাড়া পরামর্শক বা কোচ হিসেবেও মাশরাফি চাইলে দায়িত্ব দেয়া হবে বলে জানান পাপন।

সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের শেষ দিনে হঠাৎ করেই মাশরাফি ও তামিম ইকবালের সঙ্গে মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি। বিশ্বকাপ চলাকালীন নিজের এক টিভি প্রোগ্রামে তামিম জানিয়েছিলেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপে মাশরাফিকে দলের পরামর্শক হিসেবে পেলে অনেক খুশি হবেন তিনি।’

তবে বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে মাশরাফির সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। পাপন বলেন, ‘আমরা এখনও তাঁর সাথে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করিনি। তাঁকে বোর্ডে পেলে আমরা অবশ্যই খুশি হবো।’

গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর নিজ মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষেও হোয়াইটওয়াশ হয় বাংলাদেশ দল। টাইগারদের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্স নিয়ে পাপন বলেন, ‘মূল সমস্যা হচ্ছে- আমাদের বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড় অ্যাভেইলেবল না, তারাও অবসর নিবে একটা সময়।

আমরা জানি, কেউ তো আর সারাজীবনের জন্য খেলে না। আমাদেরকে তাদের বিকল্প খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের হাতে যেসব অপশন আছে তাদের মধ্যে থেকেই সম্ভাব্য সেরা বিকল্প বেছে নিতে হবে।’

বাংলাদেশ দলের ব্যর্থতায় সমালোচনার তীর টিম ম্যানেজমেন্টের দিকেও। বিশেষ করে নির্বাচকদের নিয়ে চলছে বেশ আলোচনা-সমালোচনা।

এ ব্যাপারে পাপন জানান, ‘টিম ম্যানেজমেন্ট আমার কাছে তিন মাসের সময় চেয়েছে। টিম সেটআপের জন্য একটা সময়ের দরকার। অনেক কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। ওরা যেহেতু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে চায়। এই সময়টা আমি ওদের বিরক্ত করতে চাই না।’

এছাড়া কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর ব্যাপারে আসন্ন জানুয়ারিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান বিসিবি সভাপতি।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.