ADVERTISEMENT

চসিকের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তিখাতে সহায়তা দিতে কানাডা আগ্রহী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা হাই কমিশনের কাউন্সেলর (কর্মাশিয়াল অ্যাফেয়ার্স) মিসেস অ্যাঞ্জেলা ডার্ককে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উন্নয়নের পথিকৃৎ।

বাংলাদেশে আমরাই একমাত্র সিটি কর্পোরেশন আমাদের সুনির্দিষ্ট কাজের আওতার বাইরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এইক্ষেত্রে ৮০টির উপরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৬০টির উপর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মাতৃসদন পরিচালনা করে আসছি। চট্টগ্রাম নগরী ভূ-প্রাকৃতিকভাবে বৈচিত্র্যময় নগরী।

সাগর,পাহাড়, নদী বন্দর বেষ্টিত একটি অপরূপ নগরী। এই রকম নগরী পৃথিবীতে বিরল। হাজার বছর আগে থেকে মানুষের ইতিবাচক কল্যাণ, আন্দোলন, সংগ্রাম বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোভাগেই ছিল চট্টগ্রাম। চসিক নগরীর উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় চসিক বর্তমানে সাগর সংলগ্ন এলাকায় ওশান এমিউজমেন্ট পার্ক নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশের প্রচুর কর্মজীবী মানুষ বিদেশে অবস্থান করছে, তারা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জনের সহায়ক। তাদেরকে আমরা মূল্যায়ন করি এবং তারা যদি বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ইচ্ছে প্রকাশ করেন সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তুত।

মেয়রের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা হাই কমিশনের কাউন্সেলর অ্যাঞ্জেলা ডার্ক বলেন, চট্টগ্রাম ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-সাহিত্যে সব কিছুতেই সমৃদ্ধ, আর প্রাকৃতিক দিক থেকে এটি একটি সুন্দর নগরী। আজকের এই চট্টগ্রাম সারা বিশ্বকে অনেকাংশে প্রতিনিধিত্ব করে।

কারণ বর্তমান সরকার যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে বিশেষ করে বে-টার্মিনাল, গভীর সমুদ্র বন্দর, ট্যানেল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনীতিক বিশেষ জোন এগুলো বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম বিশ্ব অর্থনীতির একটি হাব হিসেবে পরিচিত হবে- এতে কোন সন্দেহ নেই।

কানাডা সবসময় উদ্ভাবনী বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আইসিটি ক্ষেত্রে কানাডার অভিজ্ঞতাগুলো নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে তাহলে আমাদের সরকার সে বিষয়ে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে, যদি চসিক এতে কোন সহযোগিতা চায় সেক্ষেত্রেও আমরা সকল ধরণের সহযোগিতা করবো।

অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিনিয়োগের ব্যাপারে আমরা উদ্যোগী হতে চাই। এই ব্যাপারে চসিক মেয়রের সাথে যে মতবিনিময় হয়েছে তার একটি ইতিবাচক বার্তা আমি আমাদের সরকারের কাছে পৌঁছে দেব। তিনি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার এবং সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কানাডা হাই কমিশনের ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম, সচিব খালেদ মাহমুদ, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.