বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেলেন মিঠুন

পশ্চিমবঙ্গে গেলো বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিজেপিতে যোগ দেন মিঠুন চক্রবর্তী। দলটিতে যোগ দিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন দাপুটে এই অভিনেতা। তবে বিধানসভা নির্বাচনে তাকে কোনো কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেনি ভারতের ক্ষমতাসীন দলটি। প্রার্থী না হলেও দলীয় প্রার্থীদের প্রচারণায় মাঠে চষে বেড়িয়েছেন তিনি।

তখন গুঞ্জন উঠেছিল, বিজেপি জিতলে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেতে পারেন মিঠুন চক্রবর্তী। তবে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির করুণ পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠা হয়নি মিঠুনের। তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মূল্যায়ন পাচ্ছেন তিনি। দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে পদ পেয়েছেন এই অভিনেতা।

গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) ৮০ সদস্যের নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করে দলটি। ৮০ সদস্যের মধ্যে ৩৭ জনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য। একই সঙ্গে ১৭৯ সদস্যের স্থায়ী আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে গঠিত কমিটিও ঘোষণা করেছে বিজেপি।

বিজেপির কমিটিতে মিঠুন ছাড়াও ঠাঁই পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী এবং রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী রাজিব বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাবিব বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেওয়া হয়েছে আমন্ত্রিত অতিথির তালিকায়।

বিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও ঠাঁই পেয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত, মুকুটমণি অধিকারী, ভারতী ঘোষ ও অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। আর আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় নাম এসেছে রাজ্যের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, সংসদ সদস্য জয়ন্ত রায়, রুপা গঙ্গোপাধ্যায় ও নারীনেত্রী মাহফুজা খাতুনের।

বিজেপির নতুন জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে আছেন, দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলি মনোহর জোশি, রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, নিতীন গড়কড়ি, পীযূষ গোয়েলর মতো বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

এদিকে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে আন্দোলনরত কৃষকদের কয়েকজনকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনার সমালোচনার পর জাতীয় নির্বাহী কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন দলের সাবেক দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মেনকা গান্ধী ও তার ছেলে বরুণ গান্ধী।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Welcome Back!

Login to your account below

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.